আমাদের সম্পর্কে
বাংলাদেশর প্রথম ৭ বছরের দীর্ঘ মেয়াদি অনলাইন ভিত্তিক মাদ্রাসা
জেনারেল শিক্ষিতদের উপযোগী মাদানী নেসাবের আদলে আধুনিক ও সৃজনশীল সিলেবাস; যেখানে পরিচালক মহোদয়ের নিজস্ব গবেষণালব্ধ কিতাবসমূহের মাধ্যমে আরবি ভাষা শেখা এখন সহজ ও আনন্দদায়ক।

একনজরে আমদের সাফল্যসমুহ

০+
শিক্ষার্থী

০+
শিক্ষক

০+
শিক্ষিকা

০+
স্টাফ

প্রতিষ্ঠাতা, প্রিন্সিপাল

দ্বীনি শিক্ষার গুরুত্ব ও নববী যুগের নমুনা
আদর্শ জাতি গঠনে মুসলিম উম্মাহর প্রত্যেক সদস্যকে দ্বীনি শিক্ষা গ্রহন করা জরুরি। একজন মুসলিম হিসাবে ইসলামের হুকুম-আহকাম জানা ও মানা উভয় ফরয। ইসলামী আদর্শ জাতি গঠনে রাসূল (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রত্যেক সাহাবীর জন্য দ্বীন শেখার সুযোগ করে দিয়েছিলেন যার শিক্ষক ছিলেন তিনি নিজেই। হাদীস শরীফে বর্ণিত হয়েছে নবীজী (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন- আমি শিক্ষক রূপে প্রেরিত হয়েছি তোমাদের আখলাক সুন্দর করার জন্য (ইবনে মাজাহ, হাদীস: নং ২২৯)।
দ্বীনি শিক্ষায় কোনো বয়সের সীমাবদ্ধতা থাকতে পারে না। শিশুদের যেমন শিক্ষা গ্রহন জরুরি তেমনি যারা শৈশবে দ্বীনি শিক্ষা অর্জন করতে পারেন নি তারা বয়ষ্ক হলেও তাদের জন্য দ্বীনি শিক্ষা অর্জন করা জরুরি। ইমাম বুখারী (রহ.) বলেন- নবী করীম (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর অধিকাংশ সাহাবীগণ বয়ষ্ক অবস্থায় ইলম অর্জন করেছিলেন। (সহীহ বুখারী: ১/১৭)।
এমনকি সাহাবায়ে কেরাম দুনিয়াবি বিভিন্ন দায়িত্ব পালনরত অবস্থাতেও দ্বীনি ইলম অর্জনের জন্য দিন ভাগ করে নিয়েছিলেন। একজন একদিন শিখে গিয়ে অপরজনকে শেখাতেন, পরেরদিন অন্যজন এসে শিখে গিয়ে অপরজনকে শেখাতেন (বুখারী ১/১৯)। এভাবে দ্বীনি এলেম চর্চা করতেন।
এ থেকে প্রতীয়মান হয়—ইলম চর্চা ছিল সাহাবায়ে কেরামের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ, তা চাকরি-ব্যবসা বা কোনো দায়িত্ব পালনের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াত না। আজকের মুসলিম সমাজ যদি নববী যুগের এ শিক্ষার পদ্ধতি ও গুরুত্বকে বুঝে নেয়, তাহলে আমাদের পরিবার, সমাজ ও জাতি হবে আলোকিত, আদর্শবান। দ্বীনি শিক্ষার আলোয় হৃদয় উদ্ভাসিত হলে দুনিয়া ও আখিরাতে সুন্দর, সাফল্যমণ্ডিত।
মুফতী আব্দুল কারীম গুফিরালাহু
চেয়ারম্যান: ইকরা দ্বীনি শিক্ষা ফাউন্ডেশন
ইকরা অনলাইন মাদ্রাসা টিম
ইখলাস আর আস্থার উপর আমাদের পথচলা। সকল স্তরের দায়িত্বশীলদের একনিষ্ঠ পরিশ্রমের মাধ্যমে মাত্র কয়েক বছরেই আমরা একটি বিশাল পরিবারের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছি।
এক নজরে পরিচিতি
বিশ্বব্যাপী কুরআনের আলো ছড়িয়ে দেওয়া আমাদের লক্ষ্য। বিশেষ করে জেনারেল শিক্ষায় শিক্ষিত কর্মব্যস্ত ভাই-বোনদের সহীহ আকীদাহ
আমাদের সম্পর্কে কিছু কথা
সমাজের সকল স্তরের মানুষের এক অনন্য মিলনমেলা আমাদের এই কাফেলা। ইলমে দ্বীনের তৃষ্ণা মেটাতে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণই আমাদের সার্থকতা।


